কাওছার আহমেদ,
ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহ।
জামালপুরে টোল আদায় বন্ধ ও সাংবাদিকের ছেলেকে মারধরের প্রতিবাদে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়ক অবরোধের পর প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নিয়েছে স্থানীয়রা। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১০ টা ২৯ মিনিটে এ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এতে স্বাভাবিক হয় জামালপুর-শেরপুর মহাসড়কের যানবাহন চলাচল।জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে স্থানীয় সংবাদিক ফরিদ হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া মোটরসাইকেল করে শেরপুর থেকে জামালপুর আসছিলো। সে সময় জামালপুর শেরপুর সংযোগ ব্রহ্মপুত্র সেতুতে সুমনের কাছে টোল দাবি করে সেতুটিতে থাকা টোল আদায়কারীরা। পরে সুমন মিয়া তাদের বলেন সরকার সেতুটির টোল আদায় করতে অনেক আগেই নিষেধ করেছে এবং এ নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে। এ নিয়ে সুমন মিয়া ও টোল আদায়কারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে টোল আদায়কারীরা সুমনসহ তার সাথে থাকা রনি, তারেক ও সাদ্দামকে মারধর করে এবং তাদের মোটরসাইকেল জিম্মি করে রাখে।পরে স্থানীয়রা সন্ধ্যা ৭ টার দিকে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে বন্ধ হয়ে যায় দুই পাশের যানবাহন চলাচল এবং ভোগান্তিতে পরে সাধারণ যাত্রী ও চালকরা। পরে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর ও শেরপুরের প্রশাসন। দীর্ঘক্ষণ অবরোধে আটকে থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সাধারণ যাত্রীরা। পরে এক পর্যায়ে সাধারণ যাত্রীদের সাথে অবরোধকারীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে মনির নামের এক মোটরসাইকেল চালক কিছুটা আহত হয়। অবরোধকারীদের সাথে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয়রা। এতে স্বাভাবিক হয় দুই পাশের যান চলাচল।এ বিষয়ে জামালপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হায়দার বলেন, অবরোধের বিষয়টি শোনার সাথে সাথে আমি এবং প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসি। এসে অবরোধকারীদের বলি যারা মারধর করছে সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে তাদের সনাক্ত করে তদন্ত করে বিচার করা হবে এবং টোল বক্সটা শেরপুরের মধ্যে পড়েছে। তাই এটা শেরপুরের প্রশাসন দেখবে।
