আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ অক্টোবর তিন দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তার চতুর্থ বিদেশ সফর। এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক যাত্রাকে সফল করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে এই সফরে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীর টোকিওতে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি কূটনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন সময়ে জাপানে রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতি অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা। কূটনৈতিক দায়িত্ব ও সার্বিক সমন্বয় সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয় বিষয়াবলি) মো. নজরুল ইসলামকে বিশেষ দায়িত্বে জাপানে পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি নির্ধারিত কর্মস্থলে পৌঁছে গেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসংক্রান্ত যাবতীয় কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় বিষয় তদারকি করছেন।
এর আগে গত ১৫ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক দাপ্তরিক চিঠিতে রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে জরুরিভিত্তিতে ঢাকায় তলব করা হয়। নির্দেশ পাওয়ার পর তিনি দ্রুত জাপান ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন। তবে তাকে ঢাকায় ডেকে পাঠানো হলেও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের কোনো প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে বা নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাকে যুক্ত করা হয়নি, যা প্রশাসন ও কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে কৌতূহল তৈরি করেছে।
আসন্ন এই জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ও মন্ত্রী অংশ নিচ্ছেন। এই প্রতিনিধিদলে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বিশেষ সহকারী মোু. শাকিরুল ইসলাম খান এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হবেন।
