ঢাকাFriday , ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

admin
অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ৪:৩০ pm
Link Copied!

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজেরা না থেকে তা অন্যমুল্যে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে প্রশাসন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়ে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা রোধ করতে সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বরাদ্দ পাওয়া কর্মচারীদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে সরকারি বাসায় রাখা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১৯ হাজার সরকারি বাসা রয়েছে, যেগুলোতে বসবাসের জন্য কর্মচারীদের নির্দিষ্ট হারে বাসাভাড়া ভাতা কেটে নেওয়া হয়। কোয়ার্টারগুলোতে খোলামেলা পরিবেশ, খেলার মাঠ এবং উন্নত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকায় এগুলোর প্রতি চাকরিজীবীদের চাহিদা সবসময়ই অনেক বেশি। তবে অনেকেই এই সুযোগের অপব্যবহার করে পুরো বাসা অথবা বাসার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ অন্যদের কাছে চড়া মূল্যে ভাড়া দিয়ে নিজেরা অন্যত্র বসবাস করছেন কিংবা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণে সরকারি বাসাগুলো ভাড়া দেওয়া হয় যার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত আয় করা, সচ্ছলতার সুবাদে পুরোনো বাসায় না থেকে সেটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সংসার খরচ মেলাতে বাধ্য হয়ে কক্ষ সাবলেট দেওয়া। আজিমপুরসহ বিভিন্ন সরকারি কলোনিতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি বাসায় বরাদ্দ গ্রহীতার পরিবর্তে অন্য কাউকে রাখা বা ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসা থেকে অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট সরাতে হবে, অন্যথায় কোনো ধরনের কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিলই নয়, বিধিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানের মাধ্যমে কঠোর বিভাগীয় বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদপ্তরের এই আকস্মিক ও কঠোর পদক্ষেপে অনেক চাকরিজীবী বিপাকে পড়েছেন এবং অল্প সময়ের নোটিশ নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি আবাসন অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়ার অপসংস্কৃতি বন্ধে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি সময়োপযোগী হলেও নোটিশের সময়সীমা আরও কিছুটা বাড়ানো উচিত ছিল। সাধারণ কর্মচারীদের একাংশ মনে করেন দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম দূর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি না হয়। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন অবৈধ দখলদার ও ভাড়াটেদের উৎখাতে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।