সংগৃহীত নিউজ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হারুয়াবাড়ী এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে অবাধে কাটা হচ্ছে ফসলি জমির উর্বর মাটি। অভিযোগ উঠেছে, পাশের চর আমখাওয়া ইউনিয়নের ভেকু (এক্সকাভেটর) ব্যবসায়ী মশিউর রহমান এই অবৈধ মাটি কাটার ব্যবসার সাথে জড়িত। ফসলি জমি ধ্বংস ও ভারী যানবাহনে মাটি পরিবহনের ফলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষিকাজে ব্যবহৃত উর্বর ফসলি জমি থেকে ভেকু মেশিনের সাহায্যে দিন-রাত মাটি কেটে ট্রাক ও ট্রলিতে করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে দিন দিন কৃষি জমির পরিমাণ কমার পাশাপাশি মাটির উপরিভাগের উর্বর অংশ নষ্ট হয়ে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে, মাটি পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ভারী ট্রাক ও ট্রলি চলাচলের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের কাঁচা ও পাকা রাস্তাগুলো ভেঙে চুরে একেবারেই বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ধুলোবালি ও চলাচলের অযোগ্য রাস্তার কারণে স্থানীয় পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।এলাকাবাসীর প্রশ্ন, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কীভাবে দিনের পর দিন একটি চক্র ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করছে? একদিকে কৃষি জমির উর্বরতা বিনষ্ট, অন্যদিকে গ্রামীণ রাস্তাঘাটের চরম ক্ষয়ক্ষতি—সব মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও তদারকি ব্যবস্থার কার্যকরিতা নিয়ে এখন নানামুখী প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এ বিষয়ে অবিলম্বে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করা এবং জড়িত ভেকু ব্যবসায়ী মশিউরের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ও এলাকার সচেতন মহল।
