নিজস্ব প্রতিবেদন
জামালপুরের মাদারগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় আনীত চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন তৈরির উদ্দেশ্যে মুঠোফোনে তথ্য ও বক্তব্য সংগ্রহ করেন সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ। কিন্তু সেই পেশাগত কাজকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ রাখার অপচেষ্টায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে সাংবাদিক আকন্দ সোহাগ বলেন, “যে ব্যক্তির বাড়ি বা ঠিকানা আমি নিজেই চিনি না, তাঁর বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করার প্রশ্নই আসে না। শুধুমাত্র পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিয়ে বক্তব্য নেওয়া হয়েছিল, যার সম্পূর্ণ কল রেকর্ড আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। একটি মহল সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরনের সাজানো ও কাল্পনিক অভিযোগ এনেছে। এ সব ষড়যন্ত্রে আমি বিন্দুমাত্র বিচলিত নই।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল ও সংবাদকর্মীরা বলছেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করতেই বারবার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। তাঁরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উন্মোচন এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে থানা কর্তৃপক্ষ।
