কাওছার আহমেদ,
সহসম্পাদক
আজ দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচাকর মোহাম্মদ আব্দুল রহিম এ আদেশ দেয়। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন, জামালপুর সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নের দড়িমহলপুর এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে জনি মিয়া।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, জামারপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর এলাকার হমিদুর রহমানের মেয়ে তমা খাতুনের সাথে পাশের এলাকার জনি মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই জনি মিয়া তার স্ত্রী তমা খাতুনের কাছে অটোরিক্সা কিনার জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবী করে। পরে তমা খাতুন বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে তারা যৌতুক দিতে রাজি হয় না। এ নিয়ে তমা খাতুন ও জনি মিয়ার সংসারে অশান্তি চলতে থাকে। পরে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ দুপুরে জনি মিয়া তমাকে মারধর করে এবং এক পর্যায়ে তমা মারা যায়। পরে জনি এবং তার পরিবারের লোকজন বিষয়টি আত্নহত্যা দেখানোর জন্য তমার মরদেহ ঘরের দরনার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। এর ঘটনার পর ওই বছরের ৬ এপ্রিল তমা খাতুনের মা উম্মে কুলছুম জনি মিয়াকে প্রধান আসামী করে মোট ৮ জনের নামে জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ে করে। পরে মামলার ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচাকর মোহাম্মদ আব্দুল রহিম মামলার প্রধান আসামী জনি মিয়াকে মৃত্যুদন্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে এবং বাকী আসামীদের খালাস প্রধান করে। এ সময় আসামী জনি অনুপস্থিত ছিলেন।
সিংক:
অ্যাডভোকেট ফজলুল হক
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১
