ইলিয়াস মাহমুদ
খাগড়াছড়ি:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিপুর গ্রামে আয়োজিত শিশুদের পুষ্টিবিষয়ক রান্না প্রদর্শনী সেশন পরিদর্শন করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টঐ্ঋচঙ) ডা. অনুতোষ চাকমা।
গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর আর্থিক সহায়তায় এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির বাস্তবায়নে পরিচালিত ‘অপপবংং ঃড় ধহফ টঃরষরুধঃরড়হ ড়ভ খরভব ঝধারহম ঝবৎারপবং নু গধৎমরহধষরুবফ ঈড়সসঁহরঃরবং রহ ঈযরঃঃধমড়হম ঐরষষ ঞৎধপঃং রহ ইধহমষধফবংয’ প্রকল্পের আওতায় এ রান্না প্রদর্শনী সেশনের আয়োজন করা হয়।
পরিদর্শনকালে ডা. অনুতোষ চাকমা সেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সুষম ও পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে ছয় মাস থেকে দুই বছর বয়সী শিশুদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে বয়স ও চাহিদা অনুযায়ী খাবার প্রস্তুত এবং খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের দীঘিনালা উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ডেভিড ত্রিপুরা, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ভূবন ময় চাকমা ও সরশীষ দেওয়ান।
রান্না প্রদর্শনী সেশনটি পরিচালনা করেন কমিউনিটি নিউট্রিশন প্রোমোটার ডাইনা চাকমা ও অমর সোনা চাকমা। এতে ৬ থেকে ২৪ মাস বয়সী শিশুদের মা ও অভিভাবকেরা অংশগ্রহণ করেন।
সেশনে শিশুদের বয়স ও পুষ্টি চাহিদা অনুযায়ী সুষম খাবার প্রস্তুত, খাবারের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ, খাদ্যের পুষ্টিমান অক্ষুণ্ন রাখা এবং পরিপূরক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিশুদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর ও বৈচিত্র্যময় খাবার অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের ব্যবহারিক রান্না প্রদর্শনী সেশনের মাধ্যমে মা ও অভিভাবকদের মধ্যে শিশু পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা বাড়বে। একই সঙ্গে শিশুদের সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং অপুষ্টি প্রতিরোধে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
