ঢাকাWednesday , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংবিধানকে অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: ড. কামাল হোসেন

admin
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ১:৪৬ pm
Link Copied!

জাতীয় ডেস্ক: সংবিধান দিবস উপলক্ষে গণফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি বাংলাদেশের সংবিধানকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রতিটি ধারায় গণতান্ত্রিক চেতনা ও জনমতের পূর্ণ প্রতিফলন রয়েছে। সময়ের চাহিদা ও বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ সংশোধন হতে পারে, তবে জাতীয় ঐক্যের এই পবিত্র দলিলকে অবমূল্যায়ন করা মোটেই কাম্য নয়। সংবিধান নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করে জাতিকে বিভক্ত করার প্রবণতা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে এই শীর্ষ রাজনীতিক আরও বলেন যে, সাম্প্রদায়িক রাজনীতির চিরতরে অবসান ঘটানো এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয়ভাবে দুর্নীতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে বেকার যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে না পারলে তা দেশে গভীর হতাশা ও নৈরাজ্যের জন্ম দিতে পারে বলে তিনি তীব্র সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা সমুন্নত রেখে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে সমাজের প্রতিটি স্তরে সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। ভেদাভেদ ভুলে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিককে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন যে, জনসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সফলভাবে ধারণ করার নামই হলো সংবিধান। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সংবিধান সংশোধন ও পরিমার্জন করা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। দেশের পরিবর্তিত জনসংখ্যা ও বর্তমান বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে, আলোচনার মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তই অবশেষে বাস্তবায়িত হবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না তার বক্তব্যে বলেন যে, বাংলাদেশের মতো একটি দেশের সংবিধান স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রণীত হওয়া সমগ্র জাতির জন্যই একটি গৌরবের বিষয়। তবে সংবিধানের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা যেকোনো ফ্যাসিবাদী উপাদান বা ধারাগুলো দূর করতে না পারলে জাতিকে পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে না। সংবিধান সংশোধন হবে নাকি সংস্কার হবে—এই অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের কারণে আজ গোটা জাতি বিভক্তির শিকার হয়েছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ এবং গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিকসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।