ঢাকাFriday , ৬ নভেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম

আন্তসরকারি রেল বৈঠকে প্রস্তাব: বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত

admin
নভেম্বর ৬, ২০২৬ ১:০০ am
Link Copied!

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের বেসরকারি কনটেইনার ট্রেনে পণ্য পরিবহনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দেশের আন্তসরকারি রেল বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদল এই প্রস্তাব উপস্থাপন করে। এর পাশাপাশি নির্দিষ্ট কয়েকটি আন্তসীমান্ত রুটে দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা মালবাহী ট্রেন চলাচল এবং পণ্য পরিবহনে সরাসরি বুকিং চালুর অনুরোধ জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশটি। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ দেশের লাইন ব্যবহার করে ট্রেন পরিচালনা করলে তার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, বর্তমানে ভারতের সরকারি ও বেসরকারি কনটেইনারবাহী ট্রেনগুলো বেনাপোল সীমান্তের বিপরীতে ভারতীয় অংশ পর্যন্ত পণ্য নিয়ে আসে। সেখান থেকে কনটেইনারগুলো বাংলাদেশে প্রবেশের পর ট্রেইলার ট্রাকে করে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে নেওয়া হয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ চাইছে তাদের বেসরকারি ট্রেনগুলো সরাসরি বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট গন্তব্য পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি পাক। বাংলাদেশ এই বিষয়ে ইতিপূর্বে দেওয়া নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে যে বিষয়টি নিয়ে উপযুক্ত ফোরামে আরও আলোচনা প্রয়োজন।

দুই দেশের রেল যোগাযোগের পরিধি বাড়ানোর অংশ হিসেবে দর্শনা-গেদে, পেট্রাপোল-বেনাপোল এবং রোহনপুর-সিংহাবাদ রুটে চব্বিশ ঘণ্টা মালবাহী ট্রেন চালুর প্রস্তাব দেয় ভারত। জবাবে বাংলাদেশ জানায় যে সম্প্রতি এই পথগুলোতে বাণিজ্য কিছুটা বাড়লেও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্রমান্বয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া রোহনপুর-সিংহাবাদ রুটে ট্রেন গ্রহণের গতি বাড়ানোর তাগিদ দিলেও জনবল, ইঞ্জিন ও লাইনসংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে তা এই মুহূর্তে কঠিন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। এর বিকল্প হিসেবে অন্য আন্তবিনিময় পয়েন্টগুলো দিয়ে আরও বেশি রেক পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে যানজট কমানোর লক্ষ্যে ভারতীয় পণ্য স্টেশন থেকে বাংলাদেশের পণ্য স্টেশনে সরাসরি বুকিং চালুর প্রস্তাব দেওয়া হলেও বাংলাদেশ তা এই মুহূর্তে যৌক্তিক মনে করছে না। দেশের অভ্যন্তরীণ স্টেশনগুলোর ওয়াগন গ্রহণের সক্ষমতা সীমিত থাকায় বর্তমান পুনর্বুকিং ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ওয়াগনের অনুমোদিত বহনক্ষমতা বাড়ানো, ওপেন টপ কনটেইনার চলাচল এবং বিভিন্ন স্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে দুই পক্ষ বিস্তারিত আলোচনা করেছে। দুই দেশের রেলওয়ে খাতের বকেয়া হিসাব হালনাগাদ করার পাশাপাশি যাত্রীবাহী ট্রেনের পরিসর বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।