কাওছার আহমেদ,
ব্যুরো প্রধান ময়মনসিংহ।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামীম আহমেদের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শহরের বকুলতলায় বর্ণাঢ্য র্যালি পূর্ব এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল হাসেম খানের সভাপতিত্বে বর্ণাঢ্য র্যালি পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামীম আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম আহমেদ বলেন, স্বাধীনতা এমনি এমনি আসেনি। ৭ই নভেম্বরের দিন এবং এরো আগে। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশের তাল মাতাল অবস্থা। সরকারে রাষ্ট্রপ্রধান কে বাংলার জনগণ সেইদিন জানেনা। ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং আবাময় জনসাধারণ একাকার হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিলেন। তারি নাম হচ্ছে ৭ই নভেম্বর।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান সাহেব ৭ই নভেম্বরের পর বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার এবং নাগরিকের যে সকল সুযোগ সুবিধা সকল কিছু জনগণের ধার প্রান্তে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান জনগণের। বিএনপি জনগণের। খালেদা জিয়া জনগণের। তারেক রহমান জনগণের। বিএনপির রাজনীতি জনগণের জন্য। আজকে যে অবস্থা?
তিনি বলেন, আমাদের সরকার ৬ মাস হয় ক্ষমতায়। নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে। এই ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে হবে। আমাদের জামালপুরের প্রাণপুরুষ এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সাহেবের নেতৃত্বে আমরা জামালপুর ঐক্যবদ্ধ। আমরা জামালপুরের বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকতে চাই।
জেলা জাসাসের সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম সজলের সঞ্চালনায় র্যালি পূর্ব আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান জিলানী, শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান মিজান, মেলান্দহ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজম খান, জেলা যুবদলের সদস্য খায়রুল ইসলাম লিয়ন, জেলা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান, জেলা মৎস্যজীবী দলনেতা শিমুল আহাম্মেদ, বিএনপি নেতা স্বপন সওদাগর, জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক রমিজ রেজা ও ছাত্রনেতা ইফতেখার মুরাদ প্রমুখ।
র্যালি ও আলোচনা সভায় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন সমূহের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
