কাওছার আহমেদ
সহসম্পাদক
জামালপুরের ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনসহ জেলার বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। অভিযোগ রয়েছে, কাউন্টারে টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে যাত্রীদের অতিরিক্ত দামে কালোবাজারিদের কাছ থেকে টিকিট কিনতে হচ্ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, ২৭৫ টাকার টিকিট কিনতে হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে, লোকাল ট্রেনের ১০০ টাকার টিকিটের জন্য গুনতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। ফলে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে যাত্রীদের।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে গেলে অনেক সময় টিকিট পাওয়া যায় না। স্টেশন মাস্টারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের কাছে জানতে চাইলে টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়। অথচ স্টেশনের কিছুটা দূরেই একদল টিকিট বিক্রেতাকে টিকিট হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের কাছ থেকে টিকিট কিনতে গেলে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ পর্যন্ত টাকা দিতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষ, কর্মজীবী যাত্রী ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন।
শুধু ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনেই নয়, পার্শ্ববর্তী দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ ও জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনেও টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ উঠছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।
রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, টিকিট বিক্রির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রশ্ন উঠেছে, টিকিট কালোবাজারি বন্ধ হবে কবে? সাধারণ যাত্রীরা কবে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন?
