ঢাকাFriday , ৬ নভেম্বর ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অভিযোগ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আটক
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. কৃষি-সংবাদ
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. জীবনযাত্রা
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. দুর্ঘটনা
  14. দুর্নীতি
  15. ধর্ম

মাতৃত্বের কঠিন সময় পাড়ি দিচ্ছেন মিলেনিয়াল নারীরা

admin
নভেম্বর ৬, ২০২৬ ২:১৫ pm
Link Copied!

লাইফস্টাইল ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে সন্তান লালনপালন নিয়ে অতিরিক্ত পরামর্শ, নিখুঁত মা হওয়ার সামাজিক চাপ এবং কর্মজীবন ও সংসারের ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন মিলেনিয়াল প্রজন্মের নারীরা। আগের প্রজন্মের তুলনায় বর্তমান সময়ের মায়েদের ওপর প্রত্যাশা ও দায়িত্বের বোঝা বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সম্প্রতি বিভিন্ন তারকা ও সাধারণ মায়েরা তাদের মাতৃত্বকালীন নানা অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করে এই কঠিন বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সব ক্ষেত্রে নিখুঁত হওয়ার এই অবাস্তব প্রত্যাশা নারীদের ধীরে ধীরে এক ধরনের মানসিক অবসাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মাতৃত্ব ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান যুগের নারীদের জন্য মাতৃত্বের সময়কাল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। ছোটবেলা থেকেই এই প্রজন্মকে শেখানো হয়েছে যে উচ্চশিক্ষা অর্জন, সফল ক্যারিয়ার গড়া এবং সংসার সামলানো—সবকিছুই একসঙ্গে নিখুঁতভাবে করা সম্ভব। কিন্তু বাস্তব জীবনে এই বহুমুখী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মায়েরা মারাত্মক ক্লান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া মাতৃত্বের প্রতিটি মুহূর্তকে কেবল আনন্দময় হিসেবে দেখতে হবে এবং কোনো ধরনের ক্লান্তি বা বিরক্তি প্রকাশ করা যাবে না—এমন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নারীদের ওপর আরও বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আধিক্য এবং অন্যের জীবনযাপনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত তুলনা করার প্রবণতা এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। শিশুর খাবার, ঘুমের নির্দিষ্ট সময়সূচি কিংবা বিভিন্ন শিশুতোষ ক্লাসে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে থাকা হাজারো পরামর্শ মায়েদের দারুণভাবে বিভ্রান্ত করে। অথচ প্রতিটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক চাহিদা যে আলাদা, তা অনেক সময় অনুধাবন করা যায় না। এই অন্তহীন পরামর্শের বেড়াজালে পড়ে মায়েরা নিজেদের সন্তান লালনপালনপদ্ধতি নিয়ে অপরাধবোধে ভোগেন এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার শিকার হন।

এই জটিল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কর্মক্ষেত্রে নমনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করা, পিতৃদের বা পুরুষদের জন্য উন্নত পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা করা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে শিশুযত্ন কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমেই কেবল এই চাপ কমানো সম্ভব। নিখুঁত মা হওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে এসে মায়েদের নিজেদের মানসিক শান্তি ও শারীরিক সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। কারণ মা মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে পুরো পরিবারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই মা ও সন্তানের উভয়ের সুস্থতার মধ্য দিয়েই মাতৃত্বের প্রকৃত ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।