শিক্ষা ডেস্ক: দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে শিখনফলভিত্তিক এবং পুরোপুরি শিশুবান্ধব পদ্ধতি চালুর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মুখস্থ বিদ্যার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তাদের মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগ তৈরি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন এই রূপরেখা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পঠনপাঠন আরও আকর্ষণীয় করতে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। বর্তমান যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল প্রযুক্তির সুযোগগুলো শিক্ষার আলো সবার কাছে পৌঁছে দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের এই যাত্রায় শিক্ষক, অভিভাবকসহ অংশীজনদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। আগামীতে একটি শক্তিশালী ও টেকসই শিক্ষাকাঠামো দাঁড় করাতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ একসঙ্গে কাজ করছে।
